সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (১০ আগস্ট) দেশের শেয়ারবাজারে দাম বাড়ার ক্ষেত্রে দাপট দেখিয়েছে বিমা খাতের কোম্পানিগুলো। বিমা কোম্পানিগুলো দাপটের প্রেক্ষিতে পতনের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে এসেছে শেয়ারবাজার।
প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এবং অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি মূল্যসূচক বেড়েছে। সেইসঙ্গে ডিএসইতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। এর মাধ্যমে টানা দুই কার্যদিবস ঢালাও দরপতনের পর শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বমুখিতার দেখা মিললো।
এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যে দাম বাড়ার তালিকায় চলে আসে বেশিরভাগ বিমা কোম্পানি। এতে লেনদেনের শুরুতে সূচকও ঊর্ধ্বমুখী হয়। তবে প্রথম দেড় ঘণ্টার লেনদেন শেষ বিমা বাদে অন্য খাতের বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান দাম কমার তালিকায় চলে আসে।
ফলে সূচকও ঋণাত্মক হয়ে পড়ে। অবশ্য এর মধ্যেও দাম বাড়ার ক্ষেত্রে দাপট ধরে রাখে বিমা কোম্পানিগুলো। যা অব্যাহত থাকে লেনদেনের শেষ পর্যন্ত। লেনদেনের শেষ আধাঘণ্টায় বিমার সঙ্গে অন্যান্য খাতের বেশিরভাগ কোম্পানিও দাম বাড়ার তালিকায় চলে আসে। এতে দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি মূল্যসূচক বেড়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১৯৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ১২৯টির এবং ৬৪টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। অপরদিকে বিমা কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৫৩টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে ২টির দাম কমেছে এবং ৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
এদিকে ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ অথবা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১২০টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৫১টির দাম কমেছে এবং ২৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। মাঝারি মানের বা ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া ৪৮টি কোম্পানির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৭টির এবং ৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণে ‘জেড’ গ্রুপে স্থান হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৩১টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৬১টির এবং ২৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। আর ২০টি মিউচুয়াল ফান্ডের দাম বাড়ার বিপরীতে ২টির দাম কমেছে এবং ১২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।