দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক রাখতে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ২ হাজার মেট্রিকটন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয় বাণিজ্য মন্ত্রনালয়। এর পর আর কোন ইমপোর্ট পারমিট না দেওয়াতে বিপাকে পড়েছেন বন্দরের ব্যবসায়ীরা। এদিকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধের খবরে হিলির খুচরা বাজারে কেজি প্রতি ৫ থেকে ৭ টাকা বেড়েছে দাম। বর্তমানে দেশি পেঁয়াজ কেজি প্রতি ৫ টাকা বেড়ে ৭০ টাকা এবং ভারতীয় পেঁয়াজ কেজি প্রতি ৭ টাকা বেড়ে ৫৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
হঠাৎ করে দাম বৃদ্ধির কারনে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষগুলো। বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) দুপুরে হিলি বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া যায়।
হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা শাকিল মাহমুদ বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি আর হবে না এমন সংবাদে দেশের মোকামে বেড়েছে দেশি পেঁয়াজের দাম। সেই সাথে আমদানিকৃত পেঁয়াজ বন্দরের পাইকারী বাজারে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। আমরা বেশি দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করছি। তবে আগের থেকে ক্রেতা অনেক কম।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক শহিদুল ইসলাম বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রনালয় থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়াতে আমরা প্রচুর পরিমান পেঁয়াজ ক্রয় করে ভারতের অভ্যন্তরে গাড়িতে লোডিং অবস্থায় রেখেছি। এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০ টি ট্রাক ভারতের অভ্যন্তরে লোডিং অবস্থায় আছে। বাংলাদেশ সরকার যদি পেঁয়াজ আমদানিতে অনুমতি না দেয় তাহলে বন্দরের ব্যবসায়ীরা অনেক ক্ষতির মুখে পড়বেন।
হিলি কাস্টমসের তথ্য মতে, বুধবার (২০ আগস্ট) ভারতীয় ৯ ট্রাকে ২৭০ মেট্রিকটন পূর্বের এলসি করা পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে এই স্থলবন্দর দিয়ে।